এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো — ওকলাহোমা সিটি থান্ডার কি তাদের দ্রুতগতির আক্রমণ এবং উচ্চ স্কোরিং দক্ষতা ধরে রাখতে পারবে, নাকি সান আন্তোনিও স্পার্স তাদের সংগঠিত, নিয়ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ খেলার মাধ্যমে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। অনেক বিশ্লেষক এই লড়াইটিকে দেখছেন থান্ডারের গতি, তরুণ শক্তি ও আক্রমণাত্মক বাস্কেটবলের বিপরীতে স্পার্সের কাঠামোবদ্ধ খেলা এবং শক্তিশালী রক্ষণভাগের সংঘর্ষ হিসেবে।
কৌশলগতভাবে ওকলাহোমা সিটি ম্যাচের গতি যতটা সম্ভব বাড়ানোর চেষ্টা করবে। দলটি দ্রুত পাল্টা আক্রমণ, বাইরের লাইনে চাপ সৃষ্টি এবং দ্রুত বল আদান-প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেবে। থান্ডারের মূল ভরসা হলো উচ্চ তীব্রতা, প্রচুর শট নেওয়া এবং সারাক্ষণ বলের চলাচল বজায় রাখা। অন্যদিকে সান আন্তোনিও ম্যাচের গতি কমিয়ে আনতে চাইবে, রিবাউন্ড নিয়ন্ত্রণে রাখবে এবং তাদের মূল খেলোয়াড়দের মাধ্যমে সেট আক্রমণ তৈরি করবে।
বিশেষ নজর থাকবে স্পার্সের রক্ষণাত্মক কৌশল বনাম ওকলাহোমার দ্রুতগতির আক্রমণের লড়াইয়ের দিকে। যদি সান আন্তোনিও দ্রুত আক্রমণ সীমিত করতে পারে এবং প্রতিপক্ষের দূরপাল্লার শটের সফলতার হার কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়, তাহলে পুরো সিরিজ অনেক বেশি সমতাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
এই ধরনের ভারসাম্যই ওকলাহোমা সিটি বনাম সান আন্তোনিও ম্যাচের পূর্বাভাসকে NBA সমর্থক এবং বাজি পছন্দ করা দর্শকদের জন্য বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে, কারণ বর্তমান প্লে-অফের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সিরিজগুলোর একটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।